নেপালের পাহাড়ি মহাসড়কে আজ ভোরে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গেলে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও ২৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতদের মধ্যে ব্রিটিশ, ভারতীয় এবং চীনা নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ।
দুর্ঘটনার বিবরণ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন শহর পোখরা থেকে যাত্রী নিয়ে বাসটি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ১:১৫ মিনিটের দিকে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে ধাদিং জেলার বেনিঘাট এলাকায় পৃথ্বী মহাসড়ক থেকে বাসটি ছিটকে পড়ে। প্রায় ২০০ মিটার নিচে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে বাসটি গিয়ে পড়ে খরস্রোতা ত্রিশূলি নদীর তীরে।
উদ্ধার অভিযান ও হতাহত দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন। রাতের অন্ধকার এবং পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
-
নিহত: ১৯ জন (১১ জন পুরুষ এবং ৮ জন নারী)। এর মধ্যে ২৩ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ পর্যটক রয়েছেন।
-
আহত: ২৫ জন। আহতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড এবং চীনের নাগরিকও রয়েছেন।
তদন্ত কমিটি গঠন নেপাল সরকার এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যে ৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, সংকীর্ণ রাস্তা এবং চালকের নিয়ন্ত্রণের অভাবই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
“বাসটি দুমড়েমুচড়ে গিয়েছিল এবং যাত্রীরা পাহাড়ের ঢালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে ছিলেন। দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।” > — ধ্রুব তিওয়ারি, স্থানীয় উদ্ধারকারী

তবিবুর রহমান 









