Dhaka , রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
আইন হাতে তুলে নিতে পিছ পা হবো নাঃ মুন্নি সাহা যশোরে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও গণমিছিল: ‘গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি গোবিন্দগঞ্জে স্কুলে যাওয়ার পথে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে দিনভর ধর্ষণ, রাস্তায় ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা যবিপ্রবি হলের খাবারে বিষক্রিয়া: কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ ​ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা ও হামলার প্রতিবাদে যশোরে ছাত্রশিবিরের কর্মী সমাবেশ স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘শূন্য ব্যয়ে সংস্কার’ প্রস্তাব এমপি মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস “ইউরোপে নতুন গন্তব্য: সরকারি উদ্যোগে ৭ দেশে মিলছে কাজের সুযোগ” বিশ্বের প্রথম ‘ওরাল ইনসুলিন’ এল ভারতে, সুচ ফোটানোর ঝক্কি থেকে রেহাই পাবেন ডায়াবিটিসের রোগীরা আধুনিক হাসপাতালের দাবিতে উত্তাল বেনাপোল
সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল

দলের জন্য ঝুঁকি নিয়েছিলাম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইন কর্মকর্তার ‘বিস্ফোরক’ স্বীকারোক্তি!

নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণখেলাপি সংক্রান্ত রিট এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন আইন কর্মকর্তার দেওয়া একটি স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। জিয়াউল হক ফয়সাল নামক ওই কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট এখন ইন্টারনেটে ভাইরাল, যেখানে তিনি নিজের দায়িত্ব পালনের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা আকার-ইঙ্গিতে স্বীকার করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, “রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা হিসেবে দেড় বছরের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় পার করেছি বিগত ২ মাস।” তিনি জানান, তার কোর্টে বিএনপির বড় বড় প্রার্থীদের ঋণখেলাপি সংক্রান্ত রিট আসে এবং আইন অনুযায়ী তাদের পার পাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু তিনি দাবি করেন, স্বৈরাচার আমলে ব্যবসা করতে না পারার কারণে তারা খেলাপি ছিলেন।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দাবিটি আসে পোস্টের শেষ দিকে। তিনি লিখেছেন, “অ্যাটর্নি জেনারেল স্যারের মৌন সম্মতি নিলাম। তারপর…..! দলের জন্য ঝুঁকি নিয়েছিলাম। এই দল আমাকে সম্মানিত করেছে। তাদের ২১ জন এখন মাননীয় সংসদ সদস্য।”

একজন আইন কর্মকর্তার এমন “সহজ সরল স্বীকারোক্তি” নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, সিভিল প্রশাসন ও বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দলীয় স্বার্থে আইনকে শিথিল করার এই দাবি যদি সত্য হয়, তবে তা বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়াবে।

যদিও পোস্টটির সত্যতা খবরা-খবর স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি, তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

আইন হাতে তুলে নিতে পিছ পা হবো নাঃ মুন্নি সাহা

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল

দলের জন্য ঝুঁকি নিয়েছিলাম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইন কর্মকর্তার ‘বিস্ফোরক’ স্বীকারোক্তি!

Update Time : ০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণখেলাপি সংক্রান্ত রিট এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন আইন কর্মকর্তার দেওয়া একটি স্ট্যাটাস ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। জিয়াউল হক ফয়সাল নামক ওই কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট এখন ইন্টারনেটে ভাইরাল, যেখানে তিনি নিজের দায়িত্ব পালনের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা আকার-ইঙ্গিতে স্বীকার করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, “রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা হিসেবে দেড় বছরের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় পার করেছি বিগত ২ মাস।” তিনি জানান, তার কোর্টে বিএনপির বড় বড় প্রার্থীদের ঋণখেলাপি সংক্রান্ত রিট আসে এবং আইন অনুযায়ী তাদের পার পাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু তিনি দাবি করেন, স্বৈরাচার আমলে ব্যবসা করতে না পারার কারণে তারা খেলাপি ছিলেন।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দাবিটি আসে পোস্টের শেষ দিকে। তিনি লিখেছেন, “অ্যাটর্নি জেনারেল স্যারের মৌন সম্মতি নিলাম। তারপর…..! দলের জন্য ঝুঁকি নিয়েছিলাম। এই দল আমাকে সম্মানিত করেছে। তাদের ২১ জন এখন মাননীয় সংসদ সদস্য।”

একজন আইন কর্মকর্তার এমন “সহজ সরল স্বীকারোক্তি” নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, সিভিল প্রশাসন ও বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দলীয় স্বার্থে আইনকে শিথিল করার এই দাবি যদি সত্য হয়, তবে তা বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়াবে।

যদিও পোস্টটির সত্যতা খবরা-খবর স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি, তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।