লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর বিরুদ্ধে বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২০ বছর বয়সী এক গৃহবধূ। অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম চরআবাবিল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওই ইউনিয়নের গাইয়ারচর গ্রামের লুতু মিয়া মিজির ছেলে।
ঘটনার বিবরণ:
ভুক্তভোগী ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধূর সঙ্গে তার স্বামীর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। গত ২২ মার্চ (রবিবার) সন্ধ্যায় বিরোধ মীমাংসার আশায় জাহাঙ্গীর আলমের কাছে বিচার চান ওই নারী। অভিযোগ রয়েছে, বিচারের কথা বলে জাহাঙ্গীর ওই গৃহবধূকে বাড়িতে না নিয়ে কৌশলে মিতালি বাজারের পাশে গাইয়ারচর গ্রামে নিজের পানের বরজে নিয়ে যান। সেখানে নির্জন স্থানে সুযোগ বুঝে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শুধু তাই নয়, ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে গৃহবধূ অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধূর সঙ্গে তার স্বামীর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। গত ২২ মার্চ (রবিবার) সন্ধ্যায় বিরোধ মীমাংসার আশায় জাহাঙ্গীর আলমের কাছে বিচার চান ওই নারী। অভিযোগ রয়েছে, বিচারের কথা বলে জাহাঙ্গীর ওই গৃহবধূকে বাড়িতে না নিয়ে কৌশলে মিতালি বাজারের পাশে গাইয়ারচর গ্রামে নিজের পানের বরজে নিয়ে যান। সেখানে নির্জন স্থানে সুযোগ বুঝে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শুধু তাই নয়, ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে গৃহবধূ অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের বক্তব্য:
গৃহবধূর স্বামী জানান, ঘটনার পর তার স্ত্রী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরে তাকে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, “আমি জাহাঙ্গীরের কাছে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে উল্টো আমাকেও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার সাত দিন পার হয়ে গেলেও আমি এখনো বিচার পাইনি। উপরন্তু, জাহাঙ্গীর এবং তার খালাতো ভাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্লাল মৈশাল আমাকে প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন।”
গৃহবধূর স্বামী জানান, ঘটনার পর তার স্ত্রী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরে তাকে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, “আমি জাহাঙ্গীরের কাছে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে উল্টো আমাকেও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার সাত দিন পার হয়ে গেলেও আমি এখনো বিচার পাইনি। উপরন্তু, জাহাঙ্গীর এবং তার খালাতো ভাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্লাল মৈশাল আমাকে প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন।”
অভিযুক্ত ও সংশ্লিষ্টদের দাবি:
ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমাকে ফাঁসাতে মেয়েটি ও তার স্বামী ষড়যন্ত্র করছে। এটি একটি মিথ্যা মামলা।”
ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমাকে ফাঁসাতে মেয়েটি ও তার স্বামী ষড়যন্ত্র করছে। এটি একটি মিথ্যা মামলা।”
একই সুরে কথা বলেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্লাল মৈশাল। তিনি দাবি করেন, “জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বাদীর স্বামীর আগের শত্রুতা রয়েছে। সেই প্রতিশোধ নিতেই ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। পুলিশ সুপার (সার্কেল) বিষয়টি তদন্ত করছেন এবং আমাদের থানায় ডেকেছেন।”
পুলিশের পদক্ষেপ:
ঘটনাটি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়পুর ও রামগঞ্জ সার্কেল) জামিলুল হক জানান, ভুক্তভোগী নারী গত শুক্রবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে কিছু বিষয় পাওয়া গেছে। পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়পুর ও রামগঞ্জ সার্কেল) জামিলুল হক জানান, ভুক্তভোগী নারী গত শুক্রবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে কিছু বিষয় পাওয়া গেছে। পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষীর উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) 








