মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজা-য় রমজান ২০২৬ মাসকে সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাত, অবরোধ ও মানবিক সংকটের মাঝেও ধর্মীয় এই পবিত্র মাসকে ঘিরে সীমিত পরিসরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর মধ্যেই মসজিদগুলো পরিষ্কার করা, সীমিত আকারে তারাবির নামাজের আয়োজন এবং দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে খাদ্য, পানি, বিদ্যুৎ ও ওষুধের তীব্র সংকট রমজান প্রস্তুতিকে কঠিন করে তুলেছে।
এদিকে চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। যেকোনো সময় সংঘর্ষ আবারও শুরু হতে পারে—এই আশঙ্কা গাজাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে রমজান মাসে মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও দাতা প্রতিষ্ঠান রমজানকে সামনে রেখে জরুরি খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণ সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও মানবিক করিডোর নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে।
সব প্রতিকূলতার মধ্যেও গাজার সাধারণ মানুষ আশা করছেন, পবিত্র রমজান মাস অন্তত কিছুটা শান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা বয়ে আনবে।

তবিবুর রহমান 









